কলকাতার উত্তর অংশে একটা পুরনো বাড়ি আছে—লোকজন তাকে বলে “হাতিবাগানের ভূতের বাড়ি”। স্থানীয়রা বিশ্বাস করে, একসময় এই বাড়িতে এক জমিদার পরিবার থাকত, যাদের লোভ আর নিষ্ঠুরতার কারণে তাদের উপর নেমে আসে এক ভয়ঙ্কর অভিশাপ।
আজও নাকি রাত বারোটার পর বাড়ির ভেতর থেকে ভেসে আসে শিকলের শব্দ, কান্নার আওয়াজ, আর কখনও কখনও হাতির চিৎকার।
আমি সেই রাতেই ঠিক করলাম, এই বাড়ির ভেতরে ঢুকব।
ভাঙা দরজা ঠেলে ভেতরে ঢোকার পর হঠাৎই সময় বদলাতে শুরু করল। চোখ খুলে দেখি—আমি দাঁড়িয়ে আছি জমিদারের আসরে, চারিদিকে আলোকিত ঝাড়বাতি, সোনার বাসন, আর আতঙ্কিত চাকর-বাকর।
ঠিক তখনই—
এক ভয়ংকর দৃশ্য আমার চোখের সামনে উদ্ভাসিত হলো…
(এখানেই থেমে যাচ্ছে অষ্টম খণ্ডের টিজার। পুরো গল্প প্রকাশ পাবে পরের ব্লগে।)

0 মন্তব্যসমূহ
Comment